উপকরণ
রুপচাঁদা অথবা সুন্দরী মাছের শুঁটকি ৫০০ গ্রাম, জলপাই তেল ১ টেবিল চামচ, রসুনকুচি ৩ কোয়া, পেঁয়াজ স্লাইস ২টি, আদা (জুলিয়ান কাট) ১ টুকরা, সয়াসস ২ টেবিল চামচ, পানি ১ কাপ, ব্রাউন সুগার সিকি কাপ, সিরকা পৌনে এক কাপ, ময়দা ২ টেবিল চামচ, পানি আধা কাপ, লাল ও সবুজ ক্যাপসিকাম (জুলিয়ান কাট) অর্ধেক করে। টমেটো ২টি, গাজর অর্ধেক, লেবুর রস আধা কাপ, পার্সলি/ধনেপাতা (সাজানোর জন্য) ১ মুঠো, সয়াবিন তেল ডিপ ফ্রাইয়ের জন্য ও গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ।
প্রণালি
সুন্দরী শুঁটকি হলে ভিজিয়ে আঁশ পরিষ্কার করে নিন। আর যদি রুপচাঁদা শুঁটকি হয় তাহলে ৫-৬ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পেপার টাওয়েল দিয়ে শুকনা করে মুছে নিন। একটি কড়াইয়ে তেল গরম হলে শুঁটকি মাছে এক চিমটি লবণ মেখে ডুবো তেলে একটু মুচমুচে করে ভেজে তেল ছেঁকে পেপার টাওয়েলে উঠিয়ে রাখুন।
অন্য একটি প্যানে জলপাই তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজকুচি দিয়ে ৩-৪ মিনিট ভেজে তাতে আদা-রসুন স্লাইস দিয়ে আরও ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট ভেজে নিন। এরপর সয়াসস, সিরকা, পানি ও ব্রাউন সুগার দিয়ে কয়েক মিনিট জ্বাল দিন। লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে নাড়ুন। হালকা নেড়ে রেড ও গ্রিন বেল পেপার, গাজর, টমেটো এবং লেবুর রস দিয়ে আলতোভাবে নাড়ুন।
পানিতে ময়দা গুলে ওপরের মিশ্রণে মিশিয়ে নাড়ুন। কিছুক্ষণ রান্না করার পর ভাজা মাছগুলো দিয়ে খুব সাবধানে কয়েক সেকেন্ড পর উল্টে দিন। সার্ভিং ডিশে প্রথমে টমেটো ও বেল পেপারে মিশ্রণ ঢেলে তার ওপর মাছগুলো দিন। এক পাশে ড্রাই ফিশ এস্কাবেচ, আরেক পাশে স্টিম রাইস ও ধনেপাতা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

















